কোলেস্টেরল কমানোর উপায়: LDL, HDL, টেস্ট ও নিয়ন্ত্রণ — ePharma স্বাস্থ্য ব্লগ
0 Item(s)
0
0 ৳ 0 View Bag ব্যাগ দেখুন

Leading Online Pharmacy of Bangladesh

কোলেস্টেরল কমানোর উপায়: LDL, HDL, টেস্ট ও নিয়ন্ত্রণ

সর্বশেষ আপডেট: Sep 2, 2026 লেখক: Sharaban Tohura (Pharmacist) পড়তে সময়: 9 min পাঠক: 31 Bangla
কোলেস্টেরল কমানোর উপায়: LDL, HDL, টেস্ট ও নিয়ন্ত্রণ

কোলেস্টেরল হলো রক্তে থাকা চর্বি জাতীয় পদার্থ। শরীরের জন্য অল্প পরিমাণে কোলেস্টেরল দরকার, কিন্তু LDL বা “খারাপ কোলেস্টেরল” বেশি হলে রক্তনালীতে চর্বি জমে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে

“কোলেস্টেরল বেশি” — রিপোর্টে এই কথাটা দেখলে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যান। আবার কেউ কেউ ভাবেন, “শরীরে তো কোনো সমস্যা নেই, তাহলে এত গুরুত্ব দেওয়ার কী আছে?”

আসলে কোলেস্টেরলের সমস্যা হলো — এটি সাধারণত নীরবে বাড়ে। অনেক সময় কোনো ব্যথা, জ্বালা বা অস্বস্তি না থাকলেও রক্তনালীতে ধীরে ধীরে চর্বি জমতে পারে। সময়মতো ধরা না পড়লে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা রক্তনালীর সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

ভালো খবর হলো, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। খাবার, ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ — এই কয়েকটি বিষয় মেনে চললে ঝুঁকি অনেক কমানো যায়।

এই লেখায় আমরা জানব কোলেস্টেরল কী, LDL ও HDL-এর পার্থক্য, কখন লিপিড প্রোফাইল টেস্ট দরকার, কী খাবেন-কী এড়াবেন এবং কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কোলেস্টেরল কী?

কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের চর্বি জাতীয় পদার্থ, যা শরীরের কোষ, হরমোন এবং পিত্তরস তৈরিতে ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ কোলেস্টেরল পুরোপুরি খারাপ নয় — শরীরের জন্য কিছু কোলেস্টেরল দরকার।

সমস্যা হয় যখন রক্তে কোলেস্টেরল বা নির্দিষ্ট ধরনের ফ্যাট বেশি হয়ে যায়। তখন রক্তনালীর দেয়ালে চর্বি জমে প্লাক তৈরি হতে পারে। এতে রক্তনালী সরু হয়ে যায়, রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় এবং হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

LDL, HDL ও Triglyceride — কোনটা কী?

লিপিড প্রোফাইল রিপোর্টে সাধারণত Total Cholesterol, LDL, HDL এবং Triglyceride দেখা যায়। এগুলোর প্রতিটির অর্থ আলাদা।

LDL — খারাপ কোলেস্টেরল

LDL বা Low-Density Lipoprotein-কে সাধারণভাবে “খারাপ কোলেস্টেরল” বলা হয়। LDL বেশি হলে এটি রক্তনালীর দেয়ালে জমে প্লাক তৈরি করতে পারে। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে LDL কম রাখাই লক্ষ্য।

HDL — ভালো কোলেস্টেরল

HDL বা High-Density Lipoprotein-কে “ভালো কোলেস্টেরল” বলা হয়। HDL রক্ত থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল লিভারে ফিরিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে শুধু HDL বেশি হলেই সব ঝুঁকি চলে যায় না — পুরো লিপিড প্রোফাইল ও ব্যক্তির সামগ্রিক হার্ট রিস্ক দেখা জরুরি।

Triglyceride

Triglyceride হলো রক্তে থাকা আরেক ধরনের ফ্যাট। Triglyceride বেশি থাকলে, বিশেষ করে LDL বেশি বা HDL কম থাকলে, হার্টের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কোলেস্টেরল বেশি হলে কী লক্ষণ দেখা যায়?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোলেস্টেরল বেশি হলেও কোনো লক্ষণ থাকে না। অনেকেই প্রথম জানতে পারেন রক্ত পরীক্ষা করার পর।

কিছু ক্ষেত্রে চোখের চারপাশে হলুদাভ চর্বি জমা, পরিবারে অল্প বয়সে হৃদরোগের ইতিহাস বা বারবার বুকব্যথা/শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা থাকলে চিকিৎসক কোলেস্টেরল পরীক্ষা করতে বলতে পারেন। তবে লক্ষণ না থাকলেও ঝুঁকি থাকলে পরীক্ষা করা জরুরি।

তাই “লক্ষণ নেই মানে কোলেস্টেরল নেই” — এই ধারণা ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ 💬

ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ নুশরাত জাহান কোলেস্টেরল ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বলেন, কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে বেশিরভাগ সময় স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। তাই খাবার, ব্যায়াম ও নিয়মিত পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, নিয়মিত হাঁটা বা শারীরিক পরিশ্রম ভালো কোলেস্টেরল HDL বাড়াতে এবং সামগ্রিক হার্টের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

সূত্র: “হাই কোলেস্টেরলে কী খাবেন, কী খাবেন না”, The Daily Star Bangla
https://bangla.thedailystar.net/life-living/food-health/news-502801

কাদের কোলেস্টেরল বেশি হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

নিচের কারণগুলো থাকলে কোলেস্টেরল বেশি হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে:

  • অতিরিক্ত তেল-চর্বি, ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া
  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
  • শারীরিক পরিশ্রম কম করা
  • দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা
  • ধূমপান
  • ডায়াবেটিস
  • উচ্চ রক্তচাপ
  • কিডনি বা লিভারের কিছু সমস্যা
  • থাইরয়েডের সমস্যা
  • পরিবারে অল্প বয়সে হৃদরোগ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস
  • বয়স বাড়া
  • মেনোপজের পর নারীদের ঝুঁকি বৃদ্ধি

যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি আছে, তাদের ক্ষেত্রে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ আরও গুরুত্বপূর্ণ।

কোন টেস্টে কোলেস্টেরল ধরা পড়ে?

কোলেস্টেরল জানার জন্য সবচেয়ে প্রচলিত পরীক্ষা হলো লিপিড প্রোফাইল টেস্ট। এতে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো দেখা হয়:

  • Total Cholesterol
  • LDL Cholesterol
  • HDL Cholesterol
  • Triglyceride
  • Non-HDL Cholesterol বা অন্যান্য calculated value — ল্যাবভেদে

অনেক সময় fasting lipid profile করতে বলা হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে non-fasting test-ও করা যায়। কোনটা দরকার হবে, সেটা চিকিৎসক বা ল্যাবের নির্দেশনা অনুযায়ী করবেন।

সাধারণ ধারণা

অনেক রিপোর্টে নিচের মানগুলো reference হিসেবে দেখা যায়:

  • Total Cholesterol: ২০০ mg/dL-এর নিচে ভালো ধরা হয়
  • Triglyceride: ১৫০ mg/dL-এর নিচে ভালো ধরা হয়
  • HDL: পুরুষদের ক্ষেত্রে ৪০ mg/dL-এর বেশি এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৫০ mg/dL-এর বেশি ভালো ধরা হয়
  • LDL: লক্ষ্য ব্যক্তির ঝুঁকি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — LDL-এর “ভালো মান” সবার জন্য এক নয়। যাদের ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস, স্ট্রোক, কিডনি রোগ বা উচ্চ ঝুঁকি আছে, তাদের LDL target আরও কম হতে পারে। তাই রিপোর্ট দেখে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

লিপিড প্রোফাইল বা কোলেস্টেরল টেস্ট সম্পর্কে জানতে ePharma-র health service/update section দেখুন, অথবা নিকটস্থ নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করুন।

কতদিন পরপর কোলেস্টেরল পরীক্ষা করবেন?

সবার জন্য একই নিয়ম নয়। বয়স, ওজন, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, ধূমপান, পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস এবং আগের রিপোর্ট অনুযায়ী test frequency ভিন্ন হতে পারে।

সাধারণভাবে:

  • ৩০ বছরের পর অন্তত একবার lipid profile জানা ভালো
  • ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, ধূমপান বা পারিবারিক হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে আগে থেকেই পরীক্ষা দরকার হতে পারে
  • আগে কোলেস্টেরল বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী follow-up test করবেন
  • কোলেস্টেরলের ওষুধ শুরু হলে follow-up test কখন করবেন, সেটা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন

কোলেস্টেরল কমাতে কী খাবেন?

খাবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখে। তবে শুধু “একটি খাবার” খেলে কোলেস্টেরল কমে যাবে — এমন নয়। পুরো খাদ্যাভ্যাস বদলানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বেশি রাখুন

শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার
শাকসবজি, ডাল, ছোলা, মটর, ফল এবং whole grain খাবারে fiber থাকে। এগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

ওটস, বার্লি ও whole grain
ওটস, লাল আটার রুটি, বার্লি, ব্রাউন রাইস বা whole grain খাবার ভালো বিকল্প।

মাছ
ইলিশ, সার্ডিন বা চর্বিযুক্ত মাছ omega-3 fatty acid-এর উৎস হতে পারে। তবে ভাজা মাছের বদলে কম তেলে রান্না করা ভালো।

বাদাম ও বীজ
আখরোট, বাদাম, চিয়া সিড বা ফ্ল্যাক্স সিড পরিমিত পরিমাণে খেতে পারেন, যদি অ্যালার্জি বা অন্য কোনো সমস্যা না থাকে।

স্বাস্থ্যকর তেল
অতিরিক্ত তেল নয়, বরং পরিমিত পরিমাণে unsaturated oil ব্যবহার করুন। রান্নায় তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কী খাবার কমাবেন বা এড়াবেন?

ট্রান্স ফ্যাট
ডালডা, কিছু bakery item, deep fried খাবার, ফাস্টফুড ও বারবার ব্যবহার করা তেলে ভাজা খাবার এড়ানো ভালো।

স্যাচুরেটেড ফ্যাট
চর্বিযুক্ত মাংস, অতিরিক্ত ঘি-মাখন, full-fat dairy, processed meat — এগুলো কমানো ভালো।

অতিরিক্ত চিনি ও refined carbohydrate
মিষ্টি পানীয়, অতিরিক্ত মিষ্টি, সাদা রুটি, অতিরিক্ত সাদা ভাত বা refined carbohydrate triglyceride বাড়াতে পারে।

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া
পুরি, সিঙ্গারা, সমুচা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই বা অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার নিয়মিত খেলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ডিম কি খাওয়া যাবে?

ডিম নিয়ে অনেকের confusion আছে। ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকে, তবে সবার জন্য ডিম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে — এমন নয়। আপনার কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের ঝুঁকি ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী চিকিৎসক/পুষ্টিবিদের পরামর্শে পরিমাণ ঠিক করা ভালো।

ব্যায়াম ও জীবনযাপনে পরিবর্তন

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাঁটা/ব্যায়াম করুন
যেমন সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট brisk walking। নতুনদের ১০–১৫ মিনিট থেকে শুরু করা ভালো।

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকবেন না
প্রতি ৩০–৬০ মিনিটে উঠে ২–৫ মিনিট হাঁটুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন
ওজন বেশি থাকলে ধীরে ধীরে কমানো LDL ও triglyceride নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

ধূমপান ছাড়ুন
ধূমপান রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল একসাথে থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

ঘুম ও স্ট্রেস ম্যানেজ করুন
অনিয়মিত ঘুম, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

চিকিৎসা কখন দরকার?

অনেকের ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামেই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু কিছু মানুষের ঝুঁকি বেশি হলে শুধু lifestyle change যথেষ্ট নাও হতে পারে।

চিকিৎসক আপনার বয়স, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, পারিবারিক ইতিহাস, আগের হার্ট অ্যাটাক/স্ট্রোকের ইতিহাস এবং লিপিড রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেন ওষুধ দরকার কি না।

স্ট্যাটিন বা lipid-lowering medicine LDL কমাতে ব্যবহৃত হয়, তবে এগুলো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়। ওষুধ শুরু হলে follow-up lipid test, side effect monitoring বা অন্য পরীক্ষা কখন লাগবে, সেটা চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।

NICE guideline-এ cardiovascular risk assessment, lifestyle change এবং lipid-lowering medicine নিয়ে চিকিৎসক-রোগী discussion-এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ ও করণীয় →
উচ্চ রক্তচাপ সম্পূর্ণ গাইড →
ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ গাইড →

ঘরে কী কী মনিটরিং পণ্য কাজে আসতে পারে?

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত self-monitoring lifestyle follow করতে সাহায্য করে, তবে এগুলো চিকিৎসার বিকল্প নয়।

  • ডিজিটাল ব্লাড প্রেশার মনিটর — উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ঝুঁকি মনিটরিংয়ে
  • ব্লাড গ্লুকোজ মিটার — ডায়াবেটিস থাকলে সুগার মনিটরিংয়ে
  • ডিজিটাল ওজন মাপার মেশিন — ওজন নিয়ন্ত্রণে
  • Omega-3 / heart health supplement — শুধুমাত্র চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের পরামর্শে; এটি কোলেস্টেরলের ওষুধের বিকল্প নয়

BP monitor, glucometer, weighing scale এবং heart-health support products দেখতে epharma.com.bd ভিজিট করুন।

উপসংহার

কোলেস্টেরল বেশি হলে শরীর সব সময় সংকেত দেয় না, কিন্তু রক্তনালী ও হার্টের ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। তাই ঝুঁকি থাকলে লিপিড প্রোফাইল টেস্ট করা, রিপোর্ট বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং lifestyle change শুরু করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

খাদ্যাভ্যাসে saturated fat ও trans fat কমানো, fiber-rich খাবার বাড়ানো, নিয়মিত হাঁটা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ — এগুলোই কোলেস্টেরল কমানোর মূল ভিত্তি।

কোলেস্টেরলের ওষুধ বা statin কখন দরকার হবে, সেটা চিকিৎসক আপনার সামগ্রিক ঝুঁকি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। নিজে নিজে ওষুধ শুরু বা বন্ধ করবেন না।

সম্পর্কিত স্বাস্থ্যসামগ্রী

  • ডিজিটাল ব্লাড প্রেশার মনিটর
  • ব্লাড গ্লুকোজ মিটার
  • ডিজিটাল ওজন মাপার মেশিন
  • Heart-health supplement — চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের পরামর্শে
  • Lipid profile / cholesterol test service info — availability অনুযায়ী

সতর্কতা: কোলেস্টেরলের ওষুধ, statin বা lipid-lowering medicine চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া ব্যবহার করবেন না। Supplement কখনো statin বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

📚 তথ্যসূত্র

১.হাই কোলেস্টেরলে কী খাবেন, কী খাবেন না” — The Daily Star Bangla, ৫ আগস্ট ২০২৩। নুশরাত জাহান, খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, ঢাকা।

২. CDC — “Testing for Cholesterol” — high cholesterol সাধারণত লক্ষণ দেয় না; cholesterol screening blood test-এর মাধ্যমে জানা যায়

৩. American Heart Association — “Understanding Cholesterol and Lipids” — LDL, HDL, triglycerides ও cardiovascular risk।

৪. American Heart Association — “Prevention and Treatment of High Cholesterol” — lifestyle change ও medication কখন দরকার হতে পারে।

৫. NICE Guideline NG238 — “Cardiovascular disease: risk assessment and reduction, including lipid modification.”

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: কোলেস্টেরল বেশি হলে কী হয়?
উত্তর: LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এতে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও রক্তনালীর রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

প্রশ্ন ২: কোলেস্টেরল বেশি হলে কি লক্ষণ দেখা যায়?
উত্তর: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ থাকে না। তাই লিপিড প্রোফাইল টেস্ট ছাড়া অনেকেই বুঝতে পারেন না যে কোলেস্টেরল বেশি। ঝুঁকি থাকলে নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি।

প্রশ্ন ৩: HDL ও LDL-এর পার্থক্য কী?
উত্তর: HDL-কে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি অতিরিক্ত কোলেস্টেরল লিভারে ফিরিয়ে নিতে সাহায্য করে। LDL-কে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়, কারণ এটি রক্তনালীতে জমে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

প্রশ্ন ৪: কোলেস্টেরল কমাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় কী?
উত্তর: saturated fat ও trans fat কমানো, fiber-rich খাবার বাড়ানো, নিয়মিত হাঁটা/ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন এবং ডায়াবেটিস/রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ — এগুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ঝুঁকি বেশি হলে চিকিৎসক ওষুধ দিতে পারেন।

প্রশ্ন ৫: কতবার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করাবো?
উত্তর: সবার জন্য একই নিয়ম নয়। বয়স, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস এবং আগের রিপোর্ট অনুযায়ী test frequency ভিন্ন হতে পারে। ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী লিপিড প্রোফাইল করুন।

প্রশ্ন ৬: ডিম খেলে কি কোলেস্টেরল বাড়ে?
উত্তর: ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল থাকে, তবে সবার জন্য ডিম সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে এমন নয়। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা হাই কোলেস্টেরল থাকলে চিকিৎসক/পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করুন।

প্রশ্ন ৭: ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি কোলেস্টেরল কমায়?
উত্তর: Omega-3 কিছু ক্ষেত্রে triglyceride কমাতে সাহায্য করতে পারে, তবে এটি statin বা cholesterol medicine-এর বিকল্প নয়। supplement ব্যবহার করার আগে চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

প্রশ্ন ৮: কোলেস্টেরলের ওষুধ কি সারাজীবন খেতে হয়?
উত্তর: সবার ক্ষেত্রে এক নয়। আপনার cardiovascular risk, lipid level, ডায়াবেটিস/রক্তচাপ, আগের হার্ট অ্যাটাক/স্ট্রোকের ইতিহাস এবং চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে ওষুধের মেয়াদ ঠিক হয়। নিজে নিজে statin শুরু বা বন্ধ করবেন না।

এই লেখা শুধুমাত্র সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্যের জন্য। ব্যক্তিগত চিকিৎসা, ডোজ বা জরুরি সিদ্ধান্তের জন্য নিবন্ধিত ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।
ePharma অ্যাপে আরও সহজে স্বাস্থ্যসেবা নিন মেডিসিন অর্ডার, প্রেসক্রিপশন আপলোড ও স্বাস্থ্য পণ্য এক জায়গায়।
অ্যাপ ডাউনলোড
Related Products
Camry Weight Scale Analog (Blue/light brown)
MRP 1190 8% off
1095
Digital NTI Weight Scale 1pc
MRP 1599 7% off
1487
Contour Plus Blood Glucose Monitoring System
MRP 1650 7% off
1535
CareSens N Blood Glucose Monitoring System
MRP 2275 25% off
1706
Contour Plus Elite Blood Glucose Monitoring Device
MRP 2250 5% off
2138
Omron Upper Arm Blood Pressure Monitor, Small Cuff, HEM-CS24, Type B
MRP 1501 2% off
1471
Omron HEM 7140T1 Bluetooth Arm Blood Pressure Monitor
MRP 4800 1% off
4752
Hi, there!



Get more features!
Download the app now
✓ Pill reminder   ✓ Prescription & Report  
✓ Doctor consultation   ✓ 24/7 helpline
Get it on Google Play Download on the App Store