হার্টের সুরক্ষা প্রাকৃতিক উপায়ে
জেনে নিন ! প্রাকৃতিক উপায়ে হার্টের সুরক্ষা
মানুষের শরীরের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি হলো হার্ট । এই হার্ট ভালো রাখাটা সকলের জন্যই খুবই প্রয়োজনীয়। কেননা শরীরের সুস্থতার অনেকাংশ নির্ভর করে হার্ট বা হৃদপিন্ডের সুস্থতার ওপর। কিন্তু আমরা হার্টের সুস্থতা রক্ষায় খুবই উদাসীন। যার কারণে বিশ্বব্যাপী হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে । উপর্যুপরি পদক্ষেপই পারে আমাদেরকে হার্টের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিতে।
—-----------------------------------------------------------------------------------------------
হার্টকে কিভাবে আমরা ভালো রাখতে পারি ?
—------------------------------------------------------------------------------------------------
- নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন
- খাবারে বাড়তি লবণ পরিহার করুন
- ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
- ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- মানসিকভাবে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না
- ফ্যাট বা চর্বিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন
- সময় মত ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করুন
- ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- খাবার খাওয়ার সময় হলে দেরি করবেন না
- সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন
- পরিমাণমতো সবুজ শাকসবজি ফলমূল ও সুষম খাবার গ্রহণ করুন
—-----------------------------------------------------------------------------------------------------
প্রাকৃতিক যেই উপায়ে গুলোর দিকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিতে পারি
—-----------------------------------------------------------------------------------------------------
হার্টের যত্ন নিয়ে কোন অবস্থাতেই অবহেলা করা যাবে না । নানা প্রাকৃতিক উপায়ে হার্টকে সুস্থ রাখা যায়। আমরা যদি সেই প্রাকৃতিক উপায়গুলো সম্পর্কে আগে থেকেই ধারণা রাখি তাহলে দেখা যাবে আমরা অনেকাংশেই হৃদরোগের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারবো।
১/ গাজর
গাজর মূলত শীতকালীন সবজি। তবে সারা বছরই গাজর কিনতে পাওয়া যায়. গাজরের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ যা কাঁচা কিংবা রান্না দুইভাবেই খাওয়া যায়. গাজরে উচ্চমানের বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, মিনারেলস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে।
গাজরের স্বাস্থ্য উপকারিতা
গাজরের রয়েছে অনেক ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে -
- গাজর ওজন কমায়
- হজমের সমস্যা সমাধান করে
- শরীরের খারাপ কোলেস্টেবলের পরিমাণ কমায়
- ক্যান্সার প্রতিরোধ করে
- হার্ট ভালো রাখে ইত্যাদি
গাজরের কি কি পুষ্টি উপাদান রয়েছে?
গবেষণা থেকে জানা যায় প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে –
| খাদ্য শক্তি | ৪৮ ক্যালোরি |
| শর্করা | ১০.৬০ গ্রাম |
| খনিজ পদার্থ | ১.১০ গ্রাম |
| ক্যালসিয়াম | ৮০.০০ মি. গ্রাম |
| ফসফরাস | ৫৩০.০০ মি. গ্রাম |
| লৌহ | ২.২০ মি. গ্রাম |
| ক্যারোটিন | ১৮৯০.০০ মাইক্রোগ্রাম |
| ভিটামিন বি ১ | ০.০৪ মি. গ্রাম |
| ভিটামিন সি | ৩.০০ গ্রাম |
উৎস : কৃষি প্রযুক্তি হাত বই, বারি-২০০৫
গাজর যেভাবে হার্ট কে ভালো রাখে
- গাজরে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা যার শরীরের খারাপ কলেস্টরলকে কমিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়.
- গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে এবং হাটকে সুস্থ রাখে.
- গাজর ওজন কমাতে সাহায্য করে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরিমাণ কমায়.
- গাজর ভিটামিন এ সমৃদ্ধ একটি সবজি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে.
২/ অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডো হচ্ছে এমনই একটি ফল যার রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ এবং ঔষধি গুনাগুন। অ্যাভোকাডো একটি বিদেশি ফল। কিন্তু বিদেশি ফল হলেও বর্তমানে বাংলাদেশে এটি প্রচুর পরিমাণে চাষ হচ্ছে এবং দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অ্যাভোকাডোর স্বাস্থ্য উপকারিতা
- অ্যাভোকাডো হৃদপিন্ড ভালো রাখে
- অ্যাভোকাডো রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখে
- শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
- অ্যাভোকাডো একটি ফাইবার সমৃদ্ধ ফল যা হজমে সাহায্য করে
- অ্যাভোকাডোতে ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
অ্যাভোকাডোতে যে যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে
প্রতি ১০০ গ্রাম অ্যাভোক্যাডোতে -
| ভিটামিন কে | ২৬% |
| ভিটামিন ই | ১০% |
| ভিটামিন সি | ১৭% |
| পটাশিয়াম | ১৪% |
| ভিটামিন বি-৫ | ১৪% |
| ভিটামিন বি-৬ | ১৩% |
| ফোলেট | ২০% |
এছাড়াও এতে স্বল্প পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, তামা, আয়রন, দস্তা, ফসফরাস এবং ভিটামিন এ, বি-১ (থায়ামিন), বি-২ (রিবোফ্লাভিন) এবং বি-৩ (নিয়াসিন) রয়েছে।
সূত্র - ইন্টারনেট
হার্টের সুরক্ষায় অ্যাভোকাডো
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণায় জানা যায় যে, সপ্তাহে অন্তত দুটি অ্যাভোকাডো খেলে কার্ডিওভাস্কুলার (Cardiovascular) রোগের ঝুঁকি অন্তত ১৬ শতাংশ কম হয়।
- রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস করে।
- কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমায়
- এলডিএল কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমায় এবং এইচডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়
- ট্রাইগ্লিসারাইডস রক্তচাপ এবং হৃদরোগের প্রধান কারণ। অ্যাভোকাডো রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস করে
৩/ চকোলেট
চকোলেটের নাম শুনলেই সবাই ধরে নেন ছোটদের খাবার, বেশি খাওয়া যাবে না, খেলে ক্ষতি হবে,দাঁত নষ্ট হয়ে যাবে. যদিও বিষয়টি কিন্তু তেমন নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে সেক্ষেত্রে ডার্ক চকলেট খেতে হবে ।
ডার্ক চকলেট খেলে আপনি যে ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন
- হৃদরোগ প্রতিরোধ করে
- উচ্চ রক্তচাপ কমায়
- মানসিক চাপ কমায়
- হৃদপিণ্ডের রক্তনালিগুলো ভালো রাখে
- নিয়মিত ডার্ক চকলেট খেলে চুল পড়া কমে যায়।
হট চকলেট এর ভূমিকা
গরম দুধের সাথে চকলেট গলিয়ে তৈরি করা হয় হট চকলেট। নিয়মিত হর চকলেট খেতে পারলে–
- ওজন নিয়ন্ত্রণ থাকবে
- মানসিক চাপ কমবে
- রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমবে
হার্টের সুরক্ষায় চকলেট এর ভূমিকা
- কোকো বীজে কোকোয়া ফ্ল্যাভানলস রয়েছে যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালণ করে।
- চকোলেটে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড হার্ট সুস্থ রাখে।
- ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত পলিফেনলস রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
- ডার্ক চকলেট উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় যা হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে
- চকলেটে উপস্থিত এন্টিঅক্সিডেন্ট হার্টের কর্ম ক্ষমতা বাড়ায়
কোনও কিছু মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া ভাল নয়। তাই চকোলেট ও পরিমাণ মতো খেতে হবে।
৪/ কমলালেবু
কমলালেবু বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয় একটি ফল। ছোট-বড় সবার কাছেই ফলটি অনেক প্রিয়। যদিও এটি একটি শীতকালীন ফল কিন্তু বর্তমানে সারাবছরই ফলটিকে দেখতে পাওয়া যায়।
কমলা লেবুতে কি কি পুষ্টি উপাদান রয়েছে?
গবেষণায় দেখা গেছে ১০০ গ্রাম কমলায় আছে-
| ভিটামিন বি | ০.৮ মিলিগ্রাম |
| ভিটামিন সি | ৪৯ মিলিগ্রাম |
| ক্যালসিয়াম | ৩৩ মিলিগ্রাম |
| পটাসিয়াম | ৩০০ মিলিগ্রাম |
| ও ফসফরাস | ২৩ মিলিগ্রাম |
একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যতটুকু ভিটামিন-সি এর প্রয়োজন তার সবটুকুই একটি কমলা থেকে পাওয়া যায়।
হৃদ রোগ থেকে বাঁচতে কমলা লেবুর ভূমিকা
- উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় হার্টকে ভালো রাখতে কমলালেবু বিশেষ ভূমিকা পালন করে
- কমলালেবুতে পেকটিন নামক ফাইবার এবং লিমিনয়েড থাকার কারণে খারাপ কোলেস্টেরল শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না যার কারণে হার্ট ভালো থাকে
- কমলা লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকার কারণে সেটি শরীরকে সবসময় সতেজ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- কমলালেবু রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে হূদযন্ত্রের দেখভাল করে
- কমলালেবুতে উপস্থিত হেসপারিডিন মহিলাদের মধ্যে হূদরোগ কমাতে পারে
৫/ বেদানা
বাংলাদেশের মানুষের প্রিয় ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বেদানা। এটি কোথাও কোথাও আনার বা ডালিম নামেও পরিচিত। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি বেদনা রাখা যায় তবে অনেক রোগ থেকে পরিত্রান পাওয়া সম্ভব। বেদানার ঔষধি গুনাগুন ও কোন অংশে কম নয়.
বেদানা আমাদের কি কি উপকার করে
- বেদানা তে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে
- বেদানা ডায়রিয়া সমস্যা উপশম করে
- ক্যান্সার প্রতিরোধের বেদনার ভূমিকা অনেক
- বেদনা হার্টে অক্সিজেন সরবরাহ করে করে হার্টকে ভালো রাখে
বেদানা কিভাবে হার্টকে ভালো রাখে
- বেদানার রস হার্টে অক্সিজেন সরবরাহ করে ও রক্ত চলাচলে সাহায্য করে .
- বেদনাতে উপস্থিত ভিটামিন সি হার্টকে সতেজ রাখে
- প্রতিদিন একবার করে টানা তিন মাস যদি বেদনার রস খাওয়া হয় তাহলে হার্টের মাসলে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
- বেদানা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে তাছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রক্তের দূষিত কোলেস্টেরলকে কমাতে বেদানারভূমিকা অনেক
বেদানার পুষ্টি উপাদান
প্রতি ১০০ গ্রাম বেদানায় রয়েছে
| শক্তি | ৩৪৬ কিলোক্যালরী |
| শর্করা | ১৮.৭ গ্রাম |
| গ্লুকোজ | ১৩.৭ গ্রাম |
| আমিষ | ১.৭ গ্রাম |
| স্নেহ বা চর্বি | ১.২ গ্রাম |
| কোলেস্টরল | ০ |
| হজমযোগ্য আঁশ | ৪ গ্রাম |
| ফোলেট (ভিটামিন বি৯) | ৩৮ মাইক্রোগ্রাম |
| নিয়াসিন (ভিটামিন বি৩) | ০.২৯ মিলিগ্রাম |
| থায়মিন (ভিটামিন বি১) | ০.০৭ মিলিগ্রাম |
| পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬) | ০.০৮ মিলিগ্রাম |
| রিবোফ্ল্যাবিন (ভিটামিন বি২) | ০.০৫ মিলিগ্রাম |
| পানটোথেনিক এসিড (ভিটামিন বি৫) | ০.৩৮ মিলিগ্রাম |
| ভিটামিন সি | ১০ মিলিগ্রাম |
| পটাসিয়াম | ২৩৬ মিলিগ্রাম |
| ক্যালসিয়াম | ১০ মিলিগ্রাম |
| আয়রন | ০.৩ মিলিগ্রাম |
| ফসফরাস | ১২ মিলিগ্রাম |
| জিঙ্ক | ০.৩৫ মিলিগ্রাম |
সূত্রঃ ইন্টারনেট
৬/ আপেল
আপেল বাংলাদেশের পরিচিত ফলগুলোর মধ্যে একটি .আপেল পছন্দ করেন না এমন লোক খুঁজে পাওয়া বোধহয় খুবই মুশকিল সুস্বাস্থ্যের জন্য আপেলের জুড়ি মেলা ভার আমাদের বাংলাদেশের বাজারে সাধারণত দুই রঙের আপেল পাওয়া যায় লাল আপনার একটি সবুজ আপেল পুষ্টিগুণ গুলোর দিক থেকে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও প্রতিদিন সবারই অন্তত একটি আপেল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত .
আপেলে যেসব পুষ্টি উপাদান রয়েছে
গবেষণায় জানা যায়, ১০০ গ্রাম আপেলে -
| শর্করা | ১৩.৮১ গ্রাম |
| চিনি | ১০.৩৯ গ্রাম |
| খাদ্যআঁশ | ২.৪ গ্রাম |
| চর্বি | ০.১৭ গ্রাম |
| আমিষ | ০.২৬ গ্রাম |
| জলীয় অংশ | ৮৫.৫৬ গ্রাম |
| ভিটামিন সি | ৪.৬ মিলিগ্রাম |
| ভিটামিন ই | ০.১৮ মিলিগ্রাম |
| ক্যালসিয়াম | ৬ মিলিগ্রাম |
| আয়রন | ০.১২ মিলিগ্রাম |
| ম্যাগনেসিয়াম | ৫ মিলিগ্রাম |
| ম্যাংগানিজ | ০.০৩৫ মিলিগ্রাম |
| ফসফরাস | ১১ মিলিগ্রাম |
| পটাশিয়াম | ১০৭ মিলিগ্রাম |
| জিংক | ০.০৪ মিলিগ্রাম |
| সোডিয়াম | ১ মিলিগ্রাম |
হার্ট ভালো রাখতে আপেলের ভূমিকা কি?
- সবুজ আপেল রক্তনালী থেকে ফ্যাট সংগ্রহ করে হার্টে রক্ত প্রবাহ বজায় রাখে আপেলে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি খারাপ কোলেস্টেরল কে দূর করে হৃদপিণ্ডকে ভালো রাখে ।
- আপেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে ।
- আপেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা হার্টের স্বাস্থ্যকে বৃদ্ধি করে।
- এছাড়াও আপেলে উপস্থিত পেকটিন আঁশ স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করে।
৭/ বাদাম
আমাদের আমাদের নিত্যদিনের জীবন-যাপনে বাদামের ভূমিকা অপরিসীম . সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম যেন এই বাদাম . বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী .
হার্টের সুস্থতায় বাদাম কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে
- বাদাম হূদরোগ ও অন্যান্য মৃত্যুঝুঁকি কমায়
- বাদাম এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে বাদাম শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না
- বাদামে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড যা মারাত্মক হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে
- বাদামে রয়েছে ফাইবার এবং ভিটামিন এ যা হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
বাদাম নিয়ে কিছু ভুল ধারণা
বাদাম সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী একটি খাদ্য এটি অবসর কাটানোর একটি অন্যতম মাধ্যম. ছোট-বড় সকলেই কমবেশি বাদাম পছন্দ করেন. তবে বাধার নিয়ম কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে. যেমন-
কাচা বাদাম খাবেন কি খাবেন না
বাদাম অনেক ভাবে খাওয়া যায় অনেকে মনে করেন কাচা বাদাম কি খাওয়া যায় কিনা পুষ্টিবিদদের মতে কাচা বাদাম শরীরের জন্য দারুন উপকারী সকালবেলা পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খেলে দারুন উপকারে আসে
কোন ধরনের বাদাম খাবেন সে নিয়ে দুশ্চিন্তা
বাদাম অনেক ধরনের হয় চিনা বাদাম ,কাজু বাদাম ,কাঠ বাদাম ইত্যাদি . অনেকে মনে করে থাকেন বিশেষ ধরনের বাদাম খেলে। বেশি উপকার পাওয়া যাবে কথাটা সব ক্ষেত্রে সঠিক নয় সব ধরনের বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
বাদামের সাথে মোটা হওয়ার সম্পর্ক
বাদাম শরীরের ওজন বাড়ায় না বরং কমায় তাই বলা যায় বাদামের সাথে মোটা হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই
বাদামের কিছু স্বাস্থ্যগুণ
- বাদাম হজমশক্তি বাড়ায়
- বাদাম খেলে শরীরে সেরোটোনিন নামে এক ধরনের হরমোন তৈরি হয় যার মন ভালো করতে সাহায্য করে
- বাদল হৃদযন্ত্র কে সুরক্ষা প্রদান করে
- বাদামের ভিটামিন ই, এ, বি১, বি৬ থাকায় চুল ভালো থাকে
- বাদাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

